-
এটি বংশানুক্রমিক রোগ।
আপনার বংশে কারও থেকে থাকলে আপনার হবার সম্ভবনা আছে।
- এটি একটি ব্লাড ডিজঅর্ডার।
এই রোগের কারণে কোথাও কেটে গেলে বা রক্ত পড়া শুরু করলে অস্বাভাবিক বা ব্যপক রক্তক্ষরণ
হতে থাকে। কারণ দ্রুত রক্ত জমাট বাঁধতে পারেনা।
-
“হেমোফিলিয়া এ” এবং “হেমোফিলিয়া
বি” নামের দুটি ধরণ আছে এই রোগের। একে ধরণের জেনেটিক প্যাটার্নের জন্য একেক ধরণের হেমোফিলিয়া
হয়। সাধারণত পুরুষেরা এই রোগে আক্রান্ত হয় আর নারীরা এই রোগ বহন করে কিন্তু
আক্রান্ত হয়না।
-
ব্লাড ক্লটিং ফ্যাক্টর
৮ এর অভাবের কারণে “হেমোফিলিয়া এ” হয়।
- “হেমোফিলিয়া বি” এর
আরেকটি নাম হল “ক্রিসমাস ডিজিজ”। ব্লাড ক্লটিং ফ্যাক্টর ৯ এর অভাবে এই রোগ হয়।
-
একেক মানুষের শরীরে এই
রোগের প্রকোপ একেক রকম দেখায়।
- এই রোগের উপসরগ হল ১)
অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ। ২) ক্ষত শুকিয়ে যেতে থাকলেও বিনা কারণে রক্তক্ষরণ।
-
এর চিকিৎসা হল শরীরে
রক্ত জমাট বাঁধতে যে সকল ব্যাপার সাহায্য করে সেগুলিকে ঠিক করা।
-
যে সকল চিকিৎসা দেয়া হয়
সেগুলোর বিপরীতে শরীরে সহ্য ক্ষমতা তৈরি হয়ে গেলে ঐ সব ঔষধ আর ভালভাবে কাজ করেনা।
- এই রোগের একটি অন্যতম
নিরাময় ধরা হয় “জিন থেরাপি”কে জেটার ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা বেশ আশাবাদী।
